New-Chill Bangladesh Thread

View attachment 85262

Posting in this thread since it is in Bengali and can't verify info.

This is not surprising honestly.
Mirza Fakhrul is a mega clown. I have respect for his son in law Fahad Abdus Salam who can be biased when it comes to his in laws and BNP but the little that I know is Fakhrul is the kind of family I’ll never marry into. Girls in their family do not cover up, low key 304s that I had the opportunity of getting to know

And he definitely with raw now. That much is evident in his views on defending prothom alo, and iskon.
 
To view this content we will need your consent to set third party cookies.
For more detailed information, see our cookies page.


Lt Col Mustafizur Rahman sharing inside info regarding the Ilias Hossain video.

**He also reveals a number of BD generals were honey trapped by Indian intel agencies. See around 20 min.
 
To view this content we will need your consent to set third party cookies.
For more detailed information, see our cookies page.


Lt Col Mustafizur Rahman sharing inside info regarding the Ilias Hossain video.

**He also reveals a number of BD generals were honey trapped by Indian intel agencies. See around 20 min.

not surprised, one airforce dude was involved in wife swapping too
 
২. বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অত্যন্ত আস্থার সঙ্গে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এই বাহিনী নিয়ে আমাদের কল্পনার শেষ নেই। একটা কথা পরিষ্কার করা প্রয়োজন, আমি নিজে দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি যে, আপনাদের প্রিয় সেনাবাহিনী আপনাদের সঙ্গে বেইমানি করবে না। মাঝে মাঝে গুজব এত বেড়ে যায় যে আমিও একটু সন্দেহে পড়ে যাই। বর্তমানে দেশপ্রেমিক ও নিরপেক্ষ সেনাসদস্যদের অবদানে সেনাবাহিনী ধীরে ধীরে স্থিতিশীল অবস্থানে চলে এসেছে। যে সকল জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা খুনি হাসিনার সাথে দেশদ্রোহী/গুরুতর মানবাধিকার লংঘনের কাজে লিপ্ত ছিল, তারা বিভিন্ন সময়ে চিহ্নিত হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, কারো বিষয়ে প্রক্রিয়াধীন। খুনি আওয়ামী লীগ এখন আমাদের প্রিয় সেনাবাহিনী নিয়ে বিভিন্ন গুজব ছড়াচ্ছে যেন বাহিনীর ভেতরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং বাহিনীর সদস্যদের মনোবল ভেঙে পড়ে।

৩। খুনি হাসিনা গত ১৫ বছরে কয়েক স্তরে কিছু পা-চাটা সেনা কর্মকর্তা তৈরি করেছে, যাদের সংখ্যা বেশি নয়। তবে এই কর্মকর্তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রয়ে গেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে উপরের ব্যক্তি পরিবর্তিত হলেও নিচের স্তরের ব্যক্তিকে বাস্তবিক কারণে পরিবর্তন করা সম্ভব হয়নি। এই লুকিয়ে থাকা কর্মকর্তারা নতুন নেতৃত্বকে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে (Devil's advocacy)।

এর একটি উদাহরণ হচ্ছে **ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুফি মোহাম্মদ আতাউর**-এর সেনাসদরে পদায়ন। পরবর্তীতে, বিষয়টি সেনাপ্রধানের নজরে আসার পরপরই বাতিল করা হয়েছে। এই লুকায়িত আওয়ামী দোসররা আওয়ামী লীগের সুবিধাবাদী সেনা কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোস্টিং করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন এবং সেনাপ্রধানের সুনাম ক্ষুন্ন করছেন। উপরন্তু, এই ধরনের প্রশ্নবিদ্ধ কাজ বাহিনীর ভিতরে বিভক্তি সৃষ্টি করছে।

ইতোমধ্যে, আশার আলো হিসেবে সেনাবাহিনীর সামরিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মেজর জেনারেল সাজেদ। উক্ত কর্মকর্তা একজন সজ্জন, দক্ষ, নীতিবান, ধার্মিক এবং মানবিক অফিসার হিসেবে সকলের নিকট সমাদৃত ও সম্মানিত। আমরা দৃঢ়ভাবে আশাবাদ ব্যক্ত করতে পারি জেনারেল সাজেদ এর মানবিক নেতৃত্বে সামরিক সচিবের শাখা আওয়ামী জল্লাদ জেনারেল মোল্লা ফজলে আকবার (বিডিআর হত্যাকাণ্ডের মূল কারিগর), জেনারেল ফিরোজ ও জেনারেল খালেদ আল মামুনের সৃষ্টি করা নেতিবাচক ধারণা ও নিয়ন্ত্রণ থেকে বের হয়ে আসবে, ইনশাল্লাহ।



আমি এটা স্বীকার করি যে সামরিক সচিবের শাখায় চাকুরী অত্যন্ত জটিল এবং thanksless টাইপ। অফিসারদের বিবিধ বিপরীতধর্মী সুপারিশ ও অনুরোধ বাস্তবায়ন করা ক্ষেত্রবিশেষে অত্যন্ত দুরুহ ব্যাপার। তথাপিও, এই শাখাতে চাকরি করে কর্নেল এবং মেজর জেনারেল ওয়াকার (বর্তমানে সেনাপ্রধান), মেজর জেনারেল মুশফিক (বর্তমানে জিওসি ২৪ পদাতিক ডিভিশন), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সারওয়ার ফরিদ (বর্তমানে ডিজি এনএসআই), লে: কর্নেল শামস মোহাম্মদ মামুন (বর্তমানে কমান্ডার এএসইউ), লে: কর্নেল মোঃ এহসানুল হক (বর্তমানে সেনাপ্রধানের সামরিক উপদেষ্টা) ইত্যাদি অফিসারগণ অধিকাংশ সেনাকর্মকর্তাদের নিকট সম্মানের, মানবিকতার ও ন্যায় বিচারের মানদন্ড হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে সফল হয়েছেন। উক্ত অফিসাররা বিভিন্ন সময়ে এবং বিভিন্ন দায়িত্বে সামরিক সচিবের শাখায় চাকরি করলেও তাদের কাজের ধরনের মাঝে একটি অভিন্ন pattern ছিল। উনারা সকলেই সামরিক সচিবের শাখার স্টেরিওটাইপ ধারনা (winners take all or all officers are equal but some officers are more than equal) ভেঙ্গে সকলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করা এবং ভুক্তভোগী/নির্যাতিত অফিসারদের কষ্ট লাঘবের যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন।

৪. **মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী**, একজন আদর্শ, দক্ষ এবং চৌকস সেনা কর্মকর্তা। ২০২৪ সালের প্রথম দিকে যখন খুনি হাসিনা বুঝতে পারে তার নিয়ন্ত্রণাধীন একটি রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বিজিবি এর সুনাম তলানিতে। তখন ফ্যাসিস্ট হাসিনা উক্ত সংস্থাসমূহের মহাপরিচালক পর্যায়ে সেনাবাহিনীর চৌকস ও নীতিবান অফিসার বসিয়ে প্রতিষ্ঠানসমূহের সুনাম পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩০শে জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে বিজিবি এর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন মেজর জেনারেল আশরাফ। উক্ত অফিসারের ব্যাপারে আমার খুব বেশি ধারণা ছিল না। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এই কর্মকর্তার বিষয় মিশ্র তথ্য পাওয়া গেলে, আমি নিজ থেকেই অনুসন্ধান শুরু করি। অনুসন্ধানের সুবিধার্থে আমি চারটি প্রাথমিক প্রশ্নাবলী নির্ধারণ করি এবং ন্যূনতম ২০ জন সামরিক এবং বেসামরিক ব্যক্তির মাধ্যমে উক্ত প্রশ্নগুলির বিপরীতে প্রাপ্ত তথ্যাবলির সঠিকতা যাচাই করি।

প্রশ্ন ১: মেজর জেনারেল আশরাফ কি একজন যোগ্য, সৎ ও নীতিবান অফিসার ?

প্রাপ্ত তথ্যাবলী: উক্ত অফিসার কোর্সের দ্বিতীয় ব্যক্তি,উনার নৈতিকতা ঊর্ধ্বতন এবং অধস্থনের কাছে অনুকরণীয়।

প্রশ্ন ২ : ছাত্র জনতার আন্দোলনের সময় লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিদওয়ান ওরফে খুনি রেদওয়ান কি উনারা আদেশে গুলি করেছিলেন?

উত্তর: লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদওয়ান সম্পূর্ণ স্বপ্রণোদিত হয়ে, মেজর জেনারেল আশরাফ বা সেক্টর/রিজিয়ন কমান্ডারের কোনরকম অনুমতি ব্যতিরেকে এবং ওই সময়ে আসন্ন পদোন্নতি পর্ষদে নিজেকে আওয়ামী অফিসার হিসেবে জাহির করার জন্য মিডিয়ার সামনে এক ধরনের স্ট্যান্ট বাজির উদ্দেশ্যে এহেন নিকৃষ্ট ও মানবতা বিরোধী কাজে লিপ্ত হন। উক্ত ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়ে জেনারেল আশরাফ অতি দ্রুত তদন্ত আদালতের মাধ্যমে শাস্তির সুপারিশ করে অফিসারকে মাতৃবাহিনীতে ফেরত প্রদান করেন (যা একজন মহাপরিচালক সর্বোচ্চ করতে পারেন) এবং উক্ত অফিসারকে পদোন্নতি পর্ষদে যাতে বিবেচনা করা না হয় তা নিশ্চিত করেন।

প্রশ্ন ৩: ১৯শে জুলাই ছাত্র জনতার আন্দোলনের সময় করা সংবাদ সম্মেলনের উদ্দেশ্য কি ছিল?

উত্তর: পলাতক হাসিনার তদানীন্তন সামরিক সচিব মেজর জেনারেল কবির (আয়নাঘর), ডিজি বিজিবিকে একরকম চাকুরীচ্যুতির হুমকির মাধ্যমে হাসিনার রেফারেন্স দিয়ে উক্ত সংবাদ সম্মেলন করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। আমি কয়েকবার উক্ত সংবাদ সম্মেলনটি দেখেছি যেখানে কোথাও জেনারেল আশরাফ কোন ধরনের অযাচিত, আগ্রাসী বা দলকানা মন্তব্য করেননি বলেই আমার নিকট প্রতিয়মান হয়েছে।

প্রশ্ন ৪: মেজর জেনারেল আশরাফ বিজিবির মাধ্যমে কি কোন আওয়ামী নেতাকর্মীকে সীমান্ত অতিক্রম করতে সহায়তা করেছে?

উত্তর: মেজর জেনারেল আশরাফ ০৪ আগস্ট রাত থেকে সীমান্ত দিয়ে যেকোন ধরনের আওয়ামী সন্ত্রাসীদের পারাপার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার জন্য সকল ধরনের সম্ভবযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন বলেই আমার সকল সূত্র নিশ্চিত করেছে। কিন্তু অতি উৎসাহী কিছু সেক্টর কমান্ডার পার্সোনাল ক্যাপাসিটিতে এ ধরনের কাজ করে থাকতে পারেন বলে বিজিবি সূত্র জানিয়েছে।

বিবিধ প্রশ্ন: মেজর জেনারেল আশরাফের সাথে তদানীন্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের সম্পর্ক কেমন ছিল?

উত্তর: মেজর জেনারেল আশরাফের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালের সম্পর্ক ছিল নিয়মতান্ত্রিক। এখানে উল্লেখ্য যে ছাত্র জনতার সংগ্রাম শুরু হওয়ার পর মেজর জেনারেল আশরাফ বিভিন্ন ধরনের অজুহাত তৈরি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এড়িয়ে চলতেন বলে কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। গত ০১ আগস্ট যখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবিকে অনুরোধ করেন তার বাসভবন পাহারা দেওয়ার জন্য তখন ডিজি বিজিবি বিনয়ের সাথে তার প্রত্যাখ্যান করুন।

মতামত: আমার এই ক্ষুদ্র অনুসন্ধান থেকে আমি আমার কোন ব্যক্তিগত মতামত আপনাদের উপর চাপিয়ে দিব না। আমি শুধুমাত্র বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন ভ্রান্ত ধারণার বিপরীতে স্ট্রাকচার্ডভাবে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছি এবং আমি মনে করি খুনি হাসিনার সুবিধাবাদী ও লুকায়িত কিছু বিপথগামী সেনা কর্মকর্তারা এধরনের মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্যাদি সকলের মাঝে ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।

৫. জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে ভুল বোঝাবুঝি পাশে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে খুনি হাসিনার কূটচালের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। সেনাবাহিনীর ভেতরে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় লুকিয়ে থাকা দ্বিতীয় স্তরের লুকায়িত এজেন্টদের খুঁজে বের করতে হবে এবং জুলাই-আগস্টের মতো ঐক্যবদ্ধ হয়ে সত্যের পক্ষে আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে।

শেষ করতে চাই **নুরলদীনের সারাজীবন** কবিতার কয়েকটি লাইন দিয়ে:

'অতি অকস্মাৎ
স্তব্ধতার দেহ ছিঁড়ে কোন ধ্বনি? কোন শব্দ? কিসের প্রপাত?
গোল হয়ে আসুন সকলে,
ঘন হয়ে আসুন সকলে,
আমার মিনতি আজ স্থির হয়ে বসুন সকলে'।




I didn't want to translate. Too long, so posting it here. @LeonBlack08 @Michael Corleone @AbuShalehRumi @Bengal71
 
উত্তর: লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদওয়ান সম্পূর্ণ স্বপ্রণোদিত হয়ে, মেজর জেনারেল আশরাফ বা সেক্টর/রিজিয়ন কমান্ডারের কোনরকম অনুমতি ব্যতিরেকে এবং ওই সময়ে আসন্ন পদোন্নতি পর্ষদে নিজেকে আওয়ামী অফিসার হিসেবে জাহির করার জন্য মিডিয়ার সামনে এক ধরনের স্ট্যান্ট বাজির উদ্দেশ্যে এহেন নিকৃষ্ট ও মানবতা বিরোধী কাজে লিপ্ত হন। উক্ত ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়ে জেনারেল আশরাফ অতি দ্রুত তদন্ত আদালতের মাধ্যমে শাস্তির সুপারিশ করে অফিসারকে মাতৃবাহিনীতে ফেরত প্রদান করেন (যা একজন মহাপরিচালক সর্বোচ্চ করতে পারেন) এবং উক্ত অফিসারকে পদোন্নতি পর্ষদে যাতে বিবেচনা করা না হয় তা নিশ্চিত করেন।
Ok Alhamdulillah This Redwan guy need to face court martial and hanged.
উত্তর: মেজর জেনারেল আশরাফের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালের সম্পর্ক ছিল নিয়মতান্ত্রিক। এখানে উল্লেখ্য যে ছাত্র জনতার সংগ্রাম শুরু হওয়ার পর মেজর জেনারেল আশরাফ বিভিন্ন ধরনের অজুহাত তৈরি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এড়িয়ে চলতেন বলে কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। গত ০১ আগস্ট যখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবিকে অনুরোধ করেন তার বাসভবন পাহারা দেওয়ার জন্য তখন ডিজি বিজিবি বিনয়ের সাথে তার প্রত্যাখ্যান করুন।
Now I wonder where Elias Hossain got the contrary about Ashraf from?

btw who is the OP?
 
২. বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অত্যন্ত আস্থার সঙ্গে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এই বাহিনী নিয়ে আমাদের কল্পনার শেষ নেই। একটা কথা পরিষ্কার করা প্রয়োজন, আমি নিজে দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি যে, আপনাদের প্রিয় সেনাবাহিনী আপনাদের সঙ্গে বেইমানি করবে না। মাঝে মাঝে গুজব এত বেড়ে যায় যে আমিও একটু সন্দেহে পড়ে যাই। বর্তমানে দেশপ্রেমিক ও নিরপেক্ষ সেনাসদস্যদের অবদানে সেনাবাহিনী ধীরে ধীরে স্থিতিশীল অবস্থানে চলে এসেছে। যে সকল জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা খুনি হাসিনার সাথে দেশদ্রোহী/গুরুতর মানবাধিকার লংঘনের কাজে লিপ্ত ছিল, তারা বিভিন্ন সময়ে চিহ্নিত হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, কারো বিষয়ে প্রক্রিয়াধীন। খুনি আওয়ামী লীগ এখন আমাদের প্রিয় সেনাবাহিনী নিয়ে বিভিন্ন গুজব ছড়াচ্ছে যেন বাহিনীর ভেতরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং বাহিনীর সদস্যদের মনোবল ভেঙে পড়ে।

৩। খুনি হাসিনা গত ১৫ বছরে কয়েক স্তরে কিছু পা-চাটা সেনা কর্মকর্তা তৈরি করেছে, যাদের সংখ্যা বেশি নয়। তবে এই কর্মকর্তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রয়ে গেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে উপরের ব্যক্তি পরিবর্তিত হলেও নিচের স্তরের ব্যক্তিকে বাস্তবিক কারণে পরিবর্তন করা সম্ভব হয়নি। এই লুকিয়ে থাকা কর্মকর্তারা নতুন নেতৃত্বকে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে (Devil's advocacy)।

এর একটি উদাহরণ হচ্ছে **ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুফি মোহাম্মদ আতাউর**-এর সেনাসদরে পদায়ন। পরবর্তীতে, বিষয়টি সেনাপ্রধানের নজরে আসার পরপরই বাতিল করা হয়েছে। এই লুকায়িত আওয়ামী দোসররা আওয়ামী লীগের সুবিধাবাদী সেনা কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোস্টিং করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন এবং সেনাপ্রধানের সুনাম ক্ষুন্ন করছেন। উপরন্তু, এই ধরনের প্রশ্নবিদ্ধ কাজ বাহিনীর ভিতরে বিভক্তি সৃষ্টি করছে।

ইতোমধ্যে, আশার আলো হিসেবে সেনাবাহিনীর সামরিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মেজর জেনারেল সাজেদ। উক্ত কর্মকর্তা একজন সজ্জন, দক্ষ, নীতিবান, ধার্মিক এবং মানবিক অফিসার হিসেবে সকলের নিকট সমাদৃত ও সম্মানিত। আমরা দৃঢ়ভাবে আশাবাদ ব্যক্ত করতে পারি জেনারেল সাজেদ এর মানবিক নেতৃত্বে সামরিক সচিবের শাখা আওয়ামী জল্লাদ জেনারেল মোল্লা ফজলে আকবার (বিডিআর হত্যাকাণ্ডের মূল কারিগর), জেনারেল ফিরোজ ও জেনারেল খালেদ আল মামুনের সৃষ্টি করা নেতিবাচক ধারণা ও নিয়ন্ত্রণ থেকে বের হয়ে আসবে, ইনশাল্লাহ।



আমি এটা স্বীকার করি যে সামরিক সচিবের শাখায় চাকুরী অত্যন্ত জটিল এবং thanksless টাইপ। অফিসারদের বিবিধ বিপরীতধর্মী সুপারিশ ও অনুরোধ বাস্তবায়ন করা ক্ষেত্রবিশেষে অত্যন্ত দুরুহ ব্যাপার। তথাপিও, এই শাখাতে চাকরি করে কর্নেল এবং মেজর জেনারেল ওয়াকার (বর্তমানে সেনাপ্রধান), মেজর জেনারেল মুশফিক (বর্তমানে জিওসি ২৪ পদাতিক ডিভিশন), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সারওয়ার ফরিদ (বর্তমানে ডিজি এনএসআই), লে: কর্নেল শামস মোহাম্মদ মামুন (বর্তমানে কমান্ডার এএসইউ), লে: কর্নেল মোঃ এহসানুল হক (বর্তমানে সেনাপ্রধানের সামরিক উপদেষ্টা) ইত্যাদি অফিসারগণ অধিকাংশ সেনাকর্মকর্তাদের নিকট সম্মানের, মানবিকতার ও ন্যায় বিচারের মানদন্ড হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে সফল হয়েছেন। উক্ত অফিসাররা বিভিন্ন সময়ে এবং বিভিন্ন দায়িত্বে সামরিক সচিবের শাখায় চাকরি করলেও তাদের কাজের ধরনের মাঝে একটি অভিন্ন pattern ছিল। উনারা সকলেই সামরিক সচিবের শাখার স্টেরিওটাইপ ধারনা (winners take all or all officers are equal but some officers are more than equal) ভেঙ্গে সকলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করা এবং ভুক্তভোগী/নির্যাতিত অফিসারদের কষ্ট লাঘবের যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন।

৪. **মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী**, একজন আদর্শ, দক্ষ এবং চৌকস সেনা কর্মকর্তা। ২০২৪ সালের প্রথম দিকে যখন খুনি হাসিনা বুঝতে পারে তার নিয়ন্ত্রণাধীন একটি রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বিজিবি এর সুনাম তলানিতে। তখন ফ্যাসিস্ট হাসিনা উক্ত সংস্থাসমূহের মহাপরিচালক পর্যায়ে সেনাবাহিনীর চৌকস ও নীতিবান অফিসার বসিয়ে প্রতিষ্ঠানসমূহের সুনাম পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩০শে জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে বিজিবি এর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন মেজর জেনারেল আশরাফ। উক্ত অফিসারের ব্যাপারে আমার খুব বেশি ধারণা ছিল না। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এই কর্মকর্তার বিষয় মিশ্র তথ্য পাওয়া গেলে, আমি নিজ থেকেই অনুসন্ধান শুরু করি। অনুসন্ধানের সুবিধার্থে আমি চারটি প্রাথমিক প্রশ্নাবলী নির্ধারণ করি এবং ন্যূনতম ২০ জন সামরিক এবং বেসামরিক ব্যক্তির মাধ্যমে উক্ত প্রশ্নগুলির বিপরীতে প্রাপ্ত তথ্যাবলির সঠিকতা যাচাই করি।

প্রশ্ন ১: মেজর জেনারেল আশরাফ কি একজন যোগ্য, সৎ ও নীতিবান অফিসার ?

প্রাপ্ত তথ্যাবলী: উক্ত অফিসার কোর্সের দ্বিতীয় ব্যক্তি,উনার নৈতিকতা ঊর্ধ্বতন এবং অধস্থনের কাছে অনুকরণীয়।

প্রশ্ন ২ : ছাত্র জনতার আন্দোলনের সময় লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিদওয়ান ওরফে খুনি রেদওয়ান কি উনারা আদেশে গুলি করেছিলেন?

উত্তর: লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদওয়ান সম্পূর্ণ স্বপ্রণোদিত হয়ে, মেজর জেনারেল আশরাফ বা সেক্টর/রিজিয়ন কমান্ডারের কোনরকম অনুমতি ব্যতিরেকে এবং ওই সময়ে আসন্ন পদোন্নতি পর্ষদে নিজেকে আওয়ামী অফিসার হিসেবে জাহির করার জন্য মিডিয়ার সামনে এক ধরনের স্ট্যান্ট বাজির উদ্দেশ্যে এহেন নিকৃষ্ট ও মানবতা বিরোধী কাজে লিপ্ত হন। উক্ত ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়ে জেনারেল আশরাফ অতি দ্রুত তদন্ত আদালতের মাধ্যমে শাস্তির সুপারিশ করে অফিসারকে মাতৃবাহিনীতে ফেরত প্রদান করেন (যা একজন মহাপরিচালক সর্বোচ্চ করতে পারেন) এবং উক্ত অফিসারকে পদোন্নতি পর্ষদে যাতে বিবেচনা করা না হয় তা নিশ্চিত করেন।

প্রশ্ন ৩: ১৯শে জুলাই ছাত্র জনতার আন্দোলনের সময় করা সংবাদ সম্মেলনের উদ্দেশ্য কি ছিল?

উত্তর: পলাতক হাসিনার তদানীন্তন সামরিক সচিব মেজর জেনারেল কবির (আয়নাঘর), ডিজি বিজিবিকে একরকম চাকুরীচ্যুতির হুমকির মাধ্যমে হাসিনার রেফারেন্স দিয়ে উক্ত সংবাদ সম্মেলন করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। আমি কয়েকবার উক্ত সংবাদ সম্মেলনটি দেখেছি যেখানে কোথাও জেনারেল আশরাফ কোন ধরনের অযাচিত, আগ্রাসী বা দলকানা মন্তব্য করেননি বলেই আমার নিকট প্রতিয়মান হয়েছে।

প্রশ্ন ৪: মেজর জেনারেল আশরাফ বিজিবির মাধ্যমে কি কোন আওয়ামী নেতাকর্মীকে সীমান্ত অতিক্রম করতে সহায়তা করেছে?

উত্তর: মেজর জেনারেল আশরাফ ০৪ আগস্ট রাত থেকে সীমান্ত দিয়ে যেকোন ধরনের আওয়ামী সন্ত্রাসীদের পারাপার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার জন্য সকল ধরনের সম্ভবযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন বলেই আমার সকল সূত্র নিশ্চিত করেছে। কিন্তু অতি উৎসাহী কিছু সেক্টর কমান্ডার পার্সোনাল ক্যাপাসিটিতে এ ধরনের কাজ করে থাকতে পারেন বলে বিজিবি সূত্র জানিয়েছে।

বিবিধ প্রশ্ন: মেজর জেনারেল আশরাফের সাথে তদানীন্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের সম্পর্ক কেমন ছিল?

উত্তর: মেজর জেনারেল আশরাফের সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালের সম্পর্ক ছিল নিয়মতান্ত্রিক। এখানে উল্লেখ্য যে ছাত্র জনতার সংগ্রাম শুরু হওয়ার পর মেজর জেনারেল আশরাফ বিভিন্ন ধরনের অজুহাত তৈরি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এড়িয়ে চলতেন বলে কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। গত ০১ আগস্ট যখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিবিকে অনুরোধ করেন তার বাসভবন পাহারা দেওয়ার জন্য তখন ডিজি বিজিবি বিনয়ের সাথে তার প্রত্যাখ্যান করুন।

মতামত: আমার এই ক্ষুদ্র অনুসন্ধান থেকে আমি আমার কোন ব্যক্তিগত মতামত আপনাদের উপর চাপিয়ে দিব না। আমি শুধুমাত্র বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন ভ্রান্ত ধারণার বিপরীতে স্ট্রাকচার্ডভাবে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছি এবং আমি মনে করি খুনি হাসিনার সুবিধাবাদী ও লুকায়িত কিছু বিপথগামী সেনা কর্মকর্তারা এধরনের মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্যাদি সকলের মাঝে ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।

৫. জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে ভুল বোঝাবুঝি পাশে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে খুনি হাসিনার কূটচালের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। সেনাবাহিনীর ভেতরে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় লুকিয়ে থাকা দ্বিতীয় স্তরের লুকায়িত এজেন্টদের খুঁজে বের করতে হবে এবং জুলাই-আগস্টের মতো ঐক্যবদ্ধ হয়ে সত্যের পক্ষে আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে।

শেষ করতে চাই **নুরলদীনের সারাজীবন** কবিতার কয়েকটি লাইন দিয়ে:

'অতি অকস্মাৎ
স্তব্ধতার দেহ ছিঁড়ে কোন ধ্বনি? কোন শব্দ? কিসের প্রপাত?
গোল হয়ে আসুন সকলে,
ঘন হয়ে আসুন সকলে,
আমার মিনতি আজ স্থির হয়ে বসুন সকলে'।




I didn't want to translate. Too long, so posting it here. @LeonBlack08 @Michael Corleone @AbuShalehRumi @Bengal71


Condensed Summary of the Provided Text for english readers:

1. Bangladesh Army’s Stability: Post-revolution, the army has shown commitment to supporting the public. Efforts are underway to identify and address senior officials involved in controversial or anti-national activities, ensuring the army remains trustworthy and patriotic.
2. Challenges Within the Army: A few officials, influenced by the previous regime, continue to create confusion and division by spreading misinformation or making questionable appointments. Examples include the brief posting of Brigadier General Sufi Mohammad Ataur, which was later reversed by the Army Chief.
3. Leadership Changes:
• Major General Sajed has taken over as Military Secretary, bringing a reputation for integrity, fairness, and professionalism.
• The division within military ranks, largely caused by loyalists of the previous regime, is being actively addressed under his leadership.
4. Role of Major General Mohammad Ashrafuzzaman Siddiqui:
• Recently appointed as Director General of BGB, he has been scrutinized for his actions during significant national protests. Investigations suggest his leadership has been largely neutral and lawful, countering allegations of partisanship.
• Measures under his tenure include stopping the movement of ruling party affiliates across borders during unrest.
5. Call for Unity: The text emphasizes the need for unity within the army and broader society to counteract misinformation and destabilizing efforts by remnants of the previous regime.

The overall tone suggests optimism regarding the professionalization and neutrality of the armed forces while addressing challenges posed by a small faction of legacy officials.
 
What's everyone's opinion abou Elias Hossain's accusations against Dr, Asif Nazrul. I like him but I doubt what he said about Asif Nazrul is right.
 
What's everyone's opinion abou Elias Hossain's accusations against Dr, Asif Nazrul. I like him but I doubt what he said about Asif Nazrul is right.

Ilyas maybe technically on our side, but he is also not that intelligent. A lot of what he assemble includes rumors and bullshit along with some truth.
 
What's everyone's opinion abou Elias Hossain's accusations against Dr, Asif Nazrul. I like him but I doubt what he said about Asif Nazrul is right.
Watch the video I posted earlier - https://defencepk.com/forums/threads/new-chill-bangladesh-thread.653/post-452960

Directly from military insider info - lt Col Mustafiz was in DGFI and also was commandant of the BD Army special forces.

He says there is some truth in some area, but not all. He vouches for Nazrul but also raises some questions for him. He went point by point of the accusations Ilias made.
 
Condensed Summary of the Provided Text for english readers:

1. Bangladesh Army’s Stability: Post-revolution, the army has shown commitment to supporting the public. Efforts are underway to identify and address senior officials involved in controversial or anti-national activities, ensuring the army remains trustworthy and patriotic.
2. Challenges Within the Army: A few officials, influenced by the previous regime, continue to create confusion and division by spreading misinformation or making questionable appointments. Examples include the brief posting of Brigadier General Sufi Mohammad Ataur, which was later reversed by the Army Chief.
3. Leadership Changes:
• Major General Sajed has taken over as Military Secretary, bringing a reputation for integrity, fairness, and professionalism.
• The division within military ranks, largely caused by loyalists of the previous regime, is being actively addressed under his leadership.
4. Role of Major General Mohammad Ashrafuzzaman Siddiqui:
• Recently appointed as Director General of BGB, he has been scrutinized for his actions during significant national protests. Investigations suggest his leadership has been largely neutral and lawful, countering allegations of partisanship.
• Measures under his tenure include stopping the movement of ruling party affiliates across borders during unrest.
5. Call for Unity: The text emphasizes the need for unity within the army and broader society to counteract misinformation and destabilizing efforts by remnants of the previous regime.

The overall tone suggests optimism regarding the professionalization and neutrality of the armed forces while addressing challenges posed by a small faction of legacy officials.

Thanks bro.

FYI - in Chill bangladesh thread - you can post in Bengali, Forum rule about English is exempted.
 
Why India has gone complete bananas?
I doubt it is even the actual issue as claimed by the BJP media. One issue is the NE security , but I would also think they are worried about the upcoming trials of the killers of the students.
The trial might reveal India’s alleged involvement with Hasina Govt.

So what do you think ?
 
Ilyas maybe technically on our side, but he is also not that intelligent. A lot of what he assemble includes rumors and bullshit along with some truth.

Yeah, I thought something like that. I don't doubt Asif Nazrul's intergity.
 
What's everyone's opinion abou Elias Hossain's accusations against Dr, Asif Nazrul. I like him but I doubt what he said about Asif Nazrul is right.
Idk about Asif Nazrul being RAW but he definitely went to military through Gen. Hameed… who’s RAW
Source: Mustafizur Rahman
 
Why India has gone complete bananas?
I doubt it is even the actual issue as claimed by the BJP media. One issue is the NE security , but I would also think they are worried about the upcoming trials of the killers of the students.
The trial might reveal India’s alleged involvement with Hasina Govt.

So what do you think ?
Individually, Indians are brilliant but collectively they’re as dumb as sheeps
 

Users who are viewing this thread

Pakistan Defence Latest

Country Watch Latest

Back
Top